শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আজব এক পৃথিবী

 কে করে করুণা 

কে ভালোবাসে 

আজব এক পৃথিবী 

অন্যের দুঃখে হাসে! 

জানি না কোন ভুলে 

সাজা পায় এই মন 

মন ভাঙ্গে যারা 

তাদের বিচার হয় কখন? 

আদৌ কি তারা 

তোমার আদালতে আসে 

আজব এক পৃথিবী 

অন্যের দুঃখে হাসে!

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বার্থের কদর

 হায় ‘চারিদিকে মেকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।


দয়াল তুমি বিনে

আমি যে অসহায়

তুমি ছাড়া আমার

ত্রিভুবনে কেহ নাই,

তুমি ছাড়া আমার

সবকিছু ফাঁকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।


আপন মানুষ হয় পর

স্বার্থের কদর

উপকারের প্রতিদান

করে শুধু অপমান,

সে দুঃখ বুকে নিয়ে অধম হাসি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

আপনার তা অজানা

 দূর থেকে দেখে গেছি বহু বছর, 

অথচ মন চেয়েছে সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করি আপনার কি খবর। 

আমার সে সাহস হয়নি আর, কারণ দূরে রাখার কৌশল জানা ছিল আপনার, 

আমি এক বোকা কৌশল ছিল না জানা 

তাই দূর থেকে দেখে গেছি বছরের পর বছর, আপনার তা অজানা। 

আমি যখন আপনার সামনে গিয়ে কথা বলতে চাইতাম, 

কথা বলতে গিয়েও আর কথা নাহি বলতাম, 

বুক ধুপ ধুপ করে কেঁপে উঠতো 

আমার হাত পা কেঁপে উঠতো, 

মনে হতো কি থেকে কি বলে কোন ভুল হয়, তখন যদি ভুল বুঝেন, 

ভেতর জুড়ে শুধু ভয় আর ভয়। 


 


 

ক্ষমা চেয়ে লও তবে

 কাঁদিলে চোখের জলে 

হয় কি মনের মানুষ মনা 

কমে যায় চোখের জ্যোতি 

মানুষ আর পাইবা না। 

থাকতে মানুষ মানুষকে 

আপন করতে হয় ভবে 

চলে গেলে হায় তবে 

আপন পর হয় মনা। 

হয়ত দুদিন আগে বা পরে 

দেখা হয় চলার পথে 

ক্ষমা চেয়ে লও তবে 

এই সুযোগ আর পাইবা না। 

অধমের নাই জ্ঞান বুদ্ধি 

জানি না কখন কি লিখি 

থাকতে তাই ক্ষমা চাচ্ছি 

ক্ষমা করবেন সকল জনা। 

তোর আপনও ঘরে

 মন তুই সুখী হতে গিয়ে 

সুখ খুঁজে তুই পেলি নারে 

তোর সুখের পাখি উড়ে গেছে 

তোরই চোখের সামনে দিয়ে। 

সেতো এসেছিল সেতো বলেছিল 

কিছু ভালোবাসা চেয়েছিল 

তুই দিলি না তারে দিলি না তারে 

ঠাঁই, তোর আপনও ঘরে। 

তাই অভিমানে সুখের পাখি 

বাসা বাঁধা অন্যের ঘরে। 

ওরে ও মন ওরে ও মন 

আর কেঁদে কি হবে সাধন 

এখন যেতে হবে যেতে হবে 

ফুরিয়ে এসেছে তোর জীবন। 

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

মায়াবী এক আয়না

 মানুষে কতকিছু চায় 

মানুষে কত কি পায় 

আবার পায় না পায় না 

এই মানুষে 

মায়াবী এক আয়না আয়না। 

এই মানুষে গড়ে 

আবার এই মানুষে ভাঙে 

হায়রে এই মানুষে মরে 

মায়াবী এক আয়না মানুষ 

নিজেরে দেখতে পায় না 

হায়রে মায়াবী এক আয়না। 

চোখে রঙিন চশমা 

হায়রে গায়ে রঙিন জামা 

মানুষ করে কত তালবাহানা 

এই মানুষে কি চায় কি পায় 

নিজেও বুঝে না 

মানুষ মায়াবী এক আয়না। 

মানুষ কি মানুষ হয়

 কবি, বড় কবি হওয়ার জন্য ছুটে।

শিল্পী, বড় শিল্পী হওয়ার জন্য ছুটে।

ডাক্তার, বড় ডাক্তার হওয়ার জন্য ছুটে।

নেতা, বড় নেতা হওয়ার জন্য ছুটে।

ইঞ্জিনিয়ার, বড় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য ছুটে।

যে যা, সে তার চেয়েও বড় হওয়ার জন্য ছুটে।

সবাই ছুটে 'যে যা হয় হতে পারে হতে চায় হয় বা হয় না,

কিন্তু ছুটতে থাকে।

ছুটে যে যা হবার তা-ই হওয়ার চেষ্টা করে।

আচ্ছা, মানুষ কি মানুষ হওয়ার জন্য ছুটে?

আচ্ছা, সব শেষে মানুষ কি হয়?

আমার মন বলল, সব শেষে মানুষ মাটির বন্ধু হয়!

এটাই কি সত্যি? তাহলে এতো ছুটাছুটি ক্যান!

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন

 আমার মায়ের মতো একটা প্রেমিকা হোক।

যার বুকে মাথা রাখলে আমার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে।

যে আমার মুখ দেখলেই বুঝবে কি চাই,

সে বলবে তুমি চিন্তিত হইও না, আমি তো আছি তোমার পাশে।

আমার মনখারাপের দিনে সে হবে ভালো করার ওষুধ,

দুঃখ পেলে জড়িয়ে ধরে দিবে সুখ,

আমার পছন্দের খাবার, পছন্দের পোশাক

আমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখবে হাতের কাছে,

যখন যা দরকার সে সাজিয়ে রাখবে চারপাশ ঘিরে।

আমার মা আমাকে যেমন ভালোবাসে, আমার খেয়াল রাখে

অসুখ হলে কপালে জলপট্টি, রাত জেগে পাহারা দেয়া

জিজ্ঞেস করে ‘তোমার কি খুব যন্ত্রণা হচ্ছে!

এমন একটা প্রেমিকা চাই-ই চাই।

যে আমার মায়ের মতো হবে কিন্তু মা নয় স্ত্রী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।


-২


আমার বাবার মতো একটা প্রেমিক হোক।

যার হাত ধরে আমি পাড়ি দিতে পারবো সাত সাগর তেরো নদী অনায়াসে।

যে হবে দায়িত্বশীল প্রেমিক,

ঠিক একজন বাবা যেমন তার মেয়ের খেয়াল রাখে।

যার কাছে আমি মন খুলে আমার মনের সকল কথা বলে দিতে পারবো,

যার কাছে আমি নিরাপদ, আমি চিন্তিত নই।

আমাদের মাঝে ঝগড়া হলে, আমি অভিমান করলে

সে আমার মান ভাঙাতে ঘুরতে নিয়ে যাবে পাহাড়ে বা সাগর পাড়ে,

হঠাৎ ফুল এনে হাতে দিয়ে বলবে স্যরি!

আমার বাবার মতো বলবে মেয়েদের অতো রাগতে নেই,

তাতে সুন্দর দেখায় না-গো, উজ্জ্বল হাসি প্যাঁচার মতো লাগে।

প্রিয় রং, প্রিয় ফুল, প্রিয় গান, প্রিয় কবিতা নিয়ে—

আড্ডা হবে আমাদের দুজনার মাঝে।

যে হবে ঠিক আমার বাবার মতো কিন্তু বাবা নয় স্বামী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।

নেই ঠিকানা নেই আপন

 আমি এক ভিখারি তোমার কাছে এসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমার এই জীবন তোমার ভালোবাসা বিহীন তুচ্ছ

তোমার ভালোবাসা আমার জীবন।

আমি সে রূপ লুকিয়ে রেখেছি হৃদয়ে

যে রূপ দেখো তুমি আয়নায় দাঁড়িয়ে।

তোমার রূপের ধ্যানে আমি বসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমি ভিখারি ‘নেই ঠিকানা নেই আপন

তুমিই সব আমার স্বজন। 

কে জাগালো

 মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো

খুঁজি তারে

সে কি মোরে বাসে ভালো

মোর মনে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

অতি নিকটে

তবু লুকিয়ে

আসে না মোর

ঘরে সে

ঝরে বারি

বিরহে পুড়ি

তার স্মরণে

মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো।

লুটিয়ে পড়িবো তারই চরণে

শত জনমের ব্যথা ঘুচিবে

জাগিয়া থাকি

আসিবে সে কি

যে প্রেম সে

আমায় শিখালো

মোর নয়নে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

 মেয়েটি গল্প ভালো জানে

ছেলেটি গল্প শুনে মন দিয়ে মনে।

একদিন জিজ্ঞেস করে তাই

বলো তো গল্পে কি বুঝাই।

গল্প তো তেমন বুঝি না

বুঝি না আমি কবিতাও হায়

তুমি বলো শুনি।

ধ্যান দিয়ে শোন আমার হৃদয়ের ধ্বনি।

আজব মানুষ হায়

কি বললাম আর কি উত্তর ধরায়।

উত্তর আমি কিছুই জানি না

গল্পের একটি লাইন সেরা

যদি না তুমি এর অর্থ বুঝো হে

গল্পের কাহিনি মিথ্যে।

সেদিন হতে ছেলেটি গল্পের অর্থ খুঁজে

মেয়েটি আকাশে তার ছবি আঁকে।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

কবিতার ছন্দে লিখে রাখলাম আমি।

আমার সব রং তুমি

 তোমার জন্য আমার বড্ড মায়া হয়,

তোমার কথা খুব মনে পড়ে,

আমার কথা কি তোমার মনে পড়ে?

তোমার জন্য আমার এতো মায়া হয় কেনো?

একটিবারও কি আমাকে তোমার মনে পড়ে না?

জানো, পাখির মায়া হয় গাছের জন্য,

জানো, আকাশের মায়া হয় রংধনুর জন্য,

জানো, মাটির মায়া হয় মৃত মানুষের জন্য,

আমার জন্য তোমার কোনো মায়া হয় না?

আমি তো ঐ গাছের মতোই অসহায়,

ঐ মৃত মানুষের মতোই,

তোমাকে ছাড়া রংধনু হতে পারিনা,

আমার সব রং তুমি, তুমিই অস্তিত্ব।

বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

দেওয়ানবাগী তোমায় আমি ভালোবাসি

 দরদী দরদী দরদী আমার 

দেওয়ানবাগী দরদী 

ভালোবাসি ভালোবাসি 

তোমায় আমি ভালোবাসি। 

জানি না কোন কর্ম গুণে 

আধার ঘরে আলো দিলে 

সে আলোতে আলোকিত 

হইল কতশত পাপী। 

সবুজ শ্যামল বাংলার বুকে 

এলে তুমি ইমাম হয়ে 

ধন্য হলো তোমায় পেয়ে 

কতশত পাপীতাপী। 

একদিন দেখি বন্ধ ঘরে 

অন্ধকারে আলো খেলা করে 

সে খেলাতে দেখিয়াছি 

মুর্শিদ তোমার নূরের ছবি। 

জসিম খান কয় ভাই নূর ইসলাম 

দেওয়ানবাগী শ্রেষ্ঠ মহান 

তাইতো কাঁদে মঞ্জুরে খোদা 

তাইতো কাঁদে ফজলে খোদা 

পাইতে দয়ালের নূরের চরণখান। 

এইযে বিচ্ছেদ বেদনা 

ইব্রাহিম সইতে পারি না 

এইযে বিচ্ছেদ বেদনা 

আশেক সইতে পারি না 

মিটাও মুর্শিদ মনের বাসনা 

দেখাও নয়নে তোমার নূরের ছবি। 

ভালোবাসি ভালোবাসি 

দেওয়ানবাগী তোমায় আমি ভালোবাসি।

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সে কত ভাগ্যবান

 আকাশে জমেছে মেঘ 

বৃষ্টি হবে বলে 

সে কত ভাগ্যবান 

ভিজেছে তোমার জলে, 

আমি হয়তো পথের ধূলো 

পথে ঘাটে উড়ে 

এখানে সেখানে থেকেছি পড়ে 

কেউ নেয়নি তুলে। 


ঝরেছে পাতা 

কেঁদেছে লতা 

বিচ্ছেদ বেদনাতে 

তাই বলে কি ফুলের হাসি 

গিয়েছে মালী ভুলে, 

মালী তো জানে না 

ফুলের বেদনা 

ফুলের কান্নাকাটি 

সাদাসিধা জীবন আমার 

হেঁসে ভালো থাকি। 

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন

 আমার মায়ের মতো একটা প্রেমিকা হোক।

যার বুকে মাথা রাখলে আমার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে।

যে আমার মুখ দেখলেই বুঝবে কি চাই,

সে বলবে তুমি চিন্তিত হইও না, আমি তো আছি তোমার পাশে।

আমার মনখারাপের দিনে সে হবে ভালো করার ওষুধ,

দুঃখ পেলে জড়িয়ে ধরে দিবে সুখ,

আমার পছন্দের খাবার, পছন্দের পোশাক

আমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখবে হাতের কাছে,

যখন যা দরকার সে সাজিয়ে রাখবে চারপাশ ঘিরে।

আমার মা আমাকে যেমন ভালোবাসে, আমার খেয়াল রাখে

অসুখ হলে কপালে জলপট্টি, রাত জেগে পাহারা দেয়া

জিজ্ঞেস করে ‘তোমার কি খুব যন্ত্রণা হচ্ছে!

এমন একটা প্রেমিকা চাই-ই চাই।

যে আমার মায়ের মতো হবে কিন্তু মা নয় স্ত্রী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।


-২


আমার বাবার মতো একটা প্রেমিক হোক।

যার হাত ধরে আমি পাড়ি দিতে পারবো সাত সাগর তেরো নদী অনায়াসে।

যে হবে দায়িত্বশীল প্রেমিক,

ঠিক একজন বাবা যেমন তার মেয়ের খেয়াল রাখে।

যার কাছে আমি মন খুলে আমার মনের সকল কথা বলে দিতে পারবো,

যার কাছে আমি নিরাপদ, আমি চিন্তিত নই।

আমাদের মাঝে ঝগড়া হলে, আমি অভিমান করলে

সে আমার মান ভাঙাতে ঘুরতে নিয়ে যাবে পাহাড়ে বা সাগর পাড়ে,

হঠাৎ ফুল এনে হাতে দিয়ে বলবে স্যরি!

আমার বাবার মতো বলবে মেয়েদের অতো রাগতে নেই,

তাতে সুন্দর দেখায় না-গো, উজ্জ্বল হাসি প্যাঁচার মতো লাগে।

প্রিয় রং, প্রিয় ফুল, প্রিয় গান, প্রিয় কবিতা নিয়ে—

আড্ডা হবে আমাদের দুজনার মাঝে।

যে হবে ঠিক আমার বাবার মতো কিন্তু বাবা নয় স্বামী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।

নেই ঠিকানা নেই আপন

 আমি এক ভিখারি তোমার কাছে এসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমার এই জীবন তোমার ভালোবাসা বিহীন তুচ্ছ

তোমার ভালোবাসা আমার জীবন।

আমি সে রূপ লুকিয়ে রেখেছি হৃদয়ে

যে রূপ দেখো তুমি আয়নায় দাঁড়িয়ে।

তোমার রূপের ধ্যানে আমি বসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমি ভিখারি ‘নেই ঠিকানা নেই আপন

তুমিই সব আমার স্বজন। 

কে জাগালো

 মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো

খুঁজি তারে

সে কি মোরে বাসে ভালো

মোর মনে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

অতি নিকটে

তবু লুকিয়ে

আসে না মোর

ঘরে সে

ঝরে বারি

বিরহে পুড়ি

তার স্মরণে

মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো।

লুটিয়ে পড়িবো তারই চরণে

শত জনমের ব্যথা ঘুচিবে

জাগিয়া থাকি

আসিবে সে কি

যে প্রেম সে

আমায় শিখালো

মোর নয়নে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

 মেয়েটি গল্প ভালো জানে

ছেলেটি গল্প শুনে মন দিয়ে মনে।

একদিন জিজ্ঞেস করে তাই

বলো তো গল্পে কি বুঝাই।

গল্প তো তেমন বুঝি না

বুঝি না আমি কবিতাও হায়

তুমি বলো শুনি।

ধ্যান দিয়ে শোন আমার হৃদয়ের ধ্বনি।

আজব মানুষ হায়

কি বললাম আর কি উত্তর ধরায়।

উত্তর আমি কিছুই জানি না

গল্পের একটি লাইন সেরা

যদি না তুমি এর অর্থ বুঝো হে

গল্পের কাহিনি মিথ্যে।

সেদিন হতে ছেলেটি গল্পের অর্থ খুঁজে

মেয়েটি আকাশে তার ছবি আঁকে।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

কবিতার ছন্দে লিখে রাখলাম আমি।

আজব এক পৃথিবী

 কে করে করুণা  কে ভালোবাসে  আজব এক পৃথিবী  অন্যের দুঃখে হাসে!  জানি না কোন ভুলে  সাজা পায় এই মন  মন ভাঙ্গে যারা  তাদের বিচার হয় কখন?  আদৌ কি...