শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

কথাগুলো অধমের

 ১. 

তুমি মানুষ হও। 

আমি তো মানুষের ঘরে জন্ম নিয়েছি, 

আবার মানুষ হতে হবে কেনো? 

বাঘের ঘর থেকে বাঘের বাচ্চা জন্ম নেয় 

বিড়ালের ঘর থেকে বিড়ালের বাচ্চা জন্ম নেয়, 

কিন্তু মানুষের ঘর থেকে মানুষের বাচ্চা জন্ম নেয় না। 

তাই, তুমি মানুষ হও।


২. 

মনটা যদি ময়লার ডাস্টবিন হতো তাহলে হিংসা অহংকার, ঘৃণা রাখতাম 

কিন্তু এইটা মহাসম্পদ তাই এখানে ভালোবাসা রাখি।


৩. 

দুঃখের মাঝে মহা-মূল্যবান আনন্দ লুকিয়ে থাকে, 

অন্যের উপকার করিলে তাহা উপলদ্ধি করা যায়।


৪. 

যার হৃদয় পবিত্র ময় 

তার চরণধুলিও প্রিয় হয়।


৫. 

মন যদি শুদ্ধ হয় শুদ্ধ হবে তুমি, 

তোমার মাঝেই খুঁজে পাবে আমি।


৬. 

আনন্দ তাহা নয় 

যাহা তুমি পাও, 

আনন্দ তাহা হয় 

যাহা তুমি অন্যকে দাও।


৭. 

হৃদয়ে যদি না থাকে আলো 

চেহারা যতই হোক ভালো 

থাকবে তুমি চিরকাল কালো।


৮. 

অমানুষ হয়ে বাঁচার চাইতে 

মানুষ হয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো। 


 

৯. 

সমাজ নদীতে তোমাকে ডুবিয়ে মারার জন্য 

সাপ কুমির স্বার্থবাদী হিংস্র প্রাণী অনেক আছে, 

তুমি তোমার লক্ষ্য ঠিক রেখে মানব তরী বেয়ে যাও। 

শ্রম আর লক্ষ্য ঠিক থাকলে তরী ডুবানোর ক্ষমতা কারোর নেই। 


১০. 

প্রেম বিহীন ডাক আমার মাওলা শুনে না, 

বিশ্বাসই প্রেম, প্রেমই খোদা।


১১. 

পিতা মাতাকে যারা বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে তাদের কপাল পোড়া, 

সন্তান থাকতেও একদিন বাবা ডাক শুনতে পাবে না ওরা।


১২. 

মরার পরে মানুষকে মহামানব না বানিয়ে বেঁচে থাকতে কদর করেন।


১৩. 

উছিলা বিহীন আল্লাকে তালাশ করিলে 

নছিবে জিলাপি মিলে আল্লা মিলে না।


১৪. 

যে মুর্শিদের অধীনে চলে 

তার অহংকার করা সাজে না, 

কারণ মুর্শিদ অহংকার দমন করার শিক্ষা দেয়।


১৫. 

সকল মহামানব একই সুতায় গাঁথা, 

তাঁরা কখনো জাত-ধর্ম নিয়ে ঘামায় না মাথা।


১৬. 

আমার জন্মের গন্ধ লেগে আছে 

আজো মায়ের আঁচলে, 

আমরা সন্তান স্বার্থপর 

মুখ থেকে মুছে ফেলি মায়ের বুকের দুধ!


১৭. 

যার চিন্তা ভাবনা সুন্দর হয় 

তার জীবনটাও সুন্দরময়।


১৮. 

আপনি লোভকে দমন করেন, 

নয়তো লোভ আপনাকে দমন করবে। 

 

১৯. 

জীবনে যা পেয়েছেন সব বোনাস পেয়েছেন 

আপনি যা হারিয়েছেন তাও বোনাস 

কারণ না হারালে কিছু পাওয়া যায়না।


২০. 

যার ভিতরে মানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই 

তার ভিতরে মাতৃভূমির প্রেমও নেই 

নেই তার ভিতরে আল্লা ও রাসুলের ভালোবাসা। 


২১. 

বেঁচে থাকলে গুণ গুলো হয় দোষ, 

মরে গেলে দোষ গুলো হয় গুণ।


২২. 

যার মায়া আছে তার কিছুই নেই, 

যার মায়া নেই তার সবই আছে।


২৩. 

মৃত্যু ঈমানদারের জন্য আর্শিবাদ 

আর বেঈমানের জন্য অভিশাপ।


২৪. 

দুনিয়াটা পরীক্ষা হল, জন্মের শুরু থেকে- 

মৃত্যুর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে হয়।


২৫. 

একজন চরিত্রহীন মানুষের টাকার বস্তা টানার চেয়ে 

একজন চরিত্রবান মানুষের পায়ের জুতা টানা অনেক ভালো।


২৬. 

যে শিক্ষা গুরুকে সম্মান করে, 

সে শিক্ষার আলোতে প্রকৃত আলোকিত মানুষ হতে পারে।


২৭. 

পাপের জন্ম দেহ থেকে নয়, 

পাপের জন্ম মন থেকে হয়।


২৮. 

তুমি যদি তোমার হৃদয়কে আলোকিত করতে পারো 

সারা পৃথিবী তোমার জন্য আলোকময়।


২৯. 

যাদের মধ্যে মনুষ্যত্ব নেই তাদেরকে মানুষ বলে 

মানুষকে লজ্জা দিয়েন না, কারণ পবিত্র গ্রন্থে এদের পশু বলা হয়। 

 

৩০. 

যার চিন্তা যেমন 

তার কাছে আমি তেমন।


৩১. 

নামের আগে সূফী থাকলে সূফীর পোশাক পরলে 

প্রকৃত সূফী হয়না, চরিত্রে সূফী হতে হয়।


৩২. 

বড় হওয়াটা জীবনে বড় কিছু নয় 

সৎ ভাবে বেঁচে থেকে মৃত্যুবরণ করাটাই বড়। 


৩৩. 

যার অন্তর ঘুমিয়ে আছে 

তার ইশ্বরও ঘুমিয়ে থাকে, 

জাগ্রত চক্ষু দিয়ে ইশ্বর দেখা যায়না 

ইশ্বর দেখিতে হয় অন্তর চক্ষু দিয়ে।



৩৪. 

শুধু আয়না মুছলে ময়লা যায় না 

চেহারার ময়লাও মুছতে হয় 

নইলে নিজেকে অপরিস্কার দেখায়।


৩৫. 

যে দেওয়ানবাগীকে পেয়েও- 

ঠিক মত ভালোবাসতে পারল না, 

সে কাউকেই ভালোবাসতে পারল না।


৩৬. 

বই পড়ে জ্ঞানী হওয়া যায় মানুষ নয় 

যদি মানুষ হওয়া যেতো 

শিক্ষিত মানুষের কর্মকাণ্ড এতো জঘন্য হতো না! 


৩৭. 

হৃদয়ে যার প্রেম নাই 

সমাজে সে অশান্তি সৃষ্টি করে।


৩৮. 

হিংসা অংহকার দিয়ে কী হয়, মরলে তুমি মাটি! 

মানুষ হতে পারলে আল্লা-ওয়ালা হওয়া যায়, মানুষ হও ভাই।


৩৯. 

ইশ্বরের সেবা করিতে মনে যদি ইচ্ছে জাগে 

মানবের সেবা করিও তুমি আগে। 

 

৪০. 

যতদিন চোখ রঙিন থাকে ততদিন মানুষ হাসে 

যেদিন চোখ সাদা-কালো হয়ে যায় 

সেদিন বুঝতে পারে বাস্তবতা কী, এবং তখনি মানুষ কাঁদে।


৪১. 

আদর্শ লিপি থেকে শুরু করে 

হাজারো আদর্শ বই পড়ে, 

আপনি যদি আদর্শবান মানুষ হতে না পারেন 

আপনার শিক্ষা জীবন বৃথা। 


৪২. 

ধর্মের নামে যারা মানুষ হত্যা করে 

তারা প্রকৃত ধার্মিক নয়, বকধার্মিক। 


৪৩. 

বড় বড় ডিগ্রি আপনার কাজে আসলেও 

আমাদের সমাজের কাজে আসবে না 

যদি না আপনি ভালো মানুষ হোন।


৪৪. 

প্রভুর প্রেমে পড়লে দেহ হয় কয়লা 

ঠাঁই দিয়া চরণে তাঁর, দূর করে হৃদয়ের যত ময়লা।


৪৫. 

আপনার মাঝে থাকে সে 

ধরিতে চাইলে করেগো ছলনা 

বাঁচেনা অধমের প্রাণ বাঁচেনা, 

দেখিয়া তাহার রূপের হাসি 

বিনা দড়িতে পরেছে গলায় ফাঁসি!


৪৬. 

করলে করো পর হবো যাযাবর 

তবু তোমার নামে বাঁধবো অদৃশ্য ঘর, 

যে ঘরেতে একলা বসে করবো সাধনা 

জপবো তোমার নাম আমি আর কারো না।


৪৭. 

যখন তাহারে দেখিয়া ছিলাম 

যখন তাহার চোখে চোখ রাখিয়া ছিলাম 

যখন তাহার মুখের কথা শুনিয়া ছিলাম 

যখন তাহার চরণ ছুঁইয়া ছিলাম 

তখন মনে হইয়া ছিলো 

সে মোর কত্ত আপন কত্ত আপন। 

 

৪৮. 

লোক সমাজের চিন্তা ভয় আমার মাঝে দিওনা 

তোমাকে ভালোবাসার দিও ভক্তি পাওয়ার বাসনা, 

পক্ষ ছেড়ে লক্ষ্য যেন থাকে তোমার দিকে 

ধ্যানে জ্ঞানে তোমায় আঁকি পাপীর বুকে।


৪৯. 

ফ্রিজে গোস্ত লুকিয়ে যেনো নাহি রয় 

গোস্ত বিতরণের প্রতিযোগিতা যেনো হয়, 

শুনেছি আল্লাহ তাআলা ভোগে নয় ত্যাগে খুশি হয়। 


৫০. 

আল্লাহকে ভালোবাসতে চাইলে বিশ্বনবি মোহাম্মদ (সঃ)-কে 

ভালোবাসতে হবে, প্রিয় নবির শিক্ষাই মানুষকে ভালোবাসার শিক্ষা। 

যারা মানুষের মনে কষ্ট দেয় তারা কোনদিনও বিশ্বনবি এবং আল্লাহর 

ভালোবাসা পাবে না। কারণ মানুষ ছাড়া আল্লাহর কোনো দলিল নেই 

আর প্রিয় নবি হচ্ছেন সৃষ্টি জগতের রহমত। 


৫১. 

ভালো মানুষের বন্ধু হয় না, 

ভালো মানুষের বন্ধু একমাত্র সৃষ্টিকর্তা।


৫২. 

মুর্শিদ মুরিদের জন্য কাঁদে 

মুরিদ মুর্শিদের জন্য কাঁদে না, 

যে কাঁদে সে মুরিদ নয় 

মুর্শিদের গোলাম বা প্রকৃত প্রেমিক।


৫৩. 

মানুষে মানুষে নাহি করো হিংসা বিদ্বেষ 

স্বয়ং বিধাতার উপদেশ, 

তোমাদের দ্বারাই আসিবে সমাজে কল্যাণ 

যদি ছাড়িতে পারো মানব অহংকার।


৫৪. 

মৃত্যুর ভয় আমায় দেখিয়ো না 

তাতে আমি এক পা পিছু হবো না সত্য প্রকাশে, 

আমি যেইদিন জন্ম নিয়েছি সেইদিন মৃত্যুর ভয় ছেড়ে দিয়েছি 

কারণ জন্ম নিলে মৃত্যু অনিবার্য।


৫৫. 

কায়ার দেহের মায়া করলেই লস, লাভবান সে 

যে কায়ার দেহের মায়া ছেড়ে দিয়েছে। 

 

৫৬. 

যত ভুলবা তত পড়বা 

যত পড়বা তত জানবা 

যত জানবা তত মানবা 

যত মানবা তত বড় হইবা।


৫৭. 

যে আমায় ভালোবাসে আমি তাকে ভালোবাসি 

যে আমায় নিন্দা করে আমি তাকেও ভালোবাসি।


৫৮. 

পৃথিবীতে বহু রূপের মানুষ থাকে, 

নিজের রূপ আগে চিনতে পারলে 

তখন বহু রূপের মানুষগুলোকে চিনতে সহজ হবে। 


৫৯. 

মৃত্যুকে দমে দমে মনে রাখাও একটা ইবাদত।


৬০. 

যে সম্মান নিতে জানে না 

তাকে আমি সম্মান করি না। 


৬১. 

শিক্ষকের পরিচয় ছাত্র, 

ছাত্রের পরিচয় আদব।


৬২.

মৃত্যুর চেয়ে আপন আর কিছু নেই, সবাই পর করে দিলেও 

মৃত্যু তোমায় একদিন আপন করে নিবে।


৬৩.

পাখি বিহীন খাঁচা মূল্যহীন 

খাঁচার নহে পাখির যত্ন নিন।


৬৪.

মন, রঙিন কাপড় নিয়ে আনন্দ উল্লাস করিওনা, 

একদিন আমিও সাদা কাপড় পরিধান করবো।


৬৫. 

আগুনের কাজ আগুনে করে পানির কাজ করে পানি 

ভালো কাজ ভালো লোকে করে 

তা দেখে খারাপ লোকের জ্বলে হৃদয়খানি। 

 

৬৬.

নিজের কাছে কিছুই রাখিনি, যা ছিলো সব দিয়েছি এই মানুষেরে

বিনিময়ে এই মানুষ দিয়েছে ‘ঘৃণা, অবহেলা’ তবু এই মানুষেরে ভালোবাসি।


৬৭.

তোমরা না গিয়ে দেওয়ানবাগীর কাছে না দেখে এই মহামানবকে

তাঁর সমালোচনা করো, আর আমি তাঁর কদম মোবারকে থেকে 

তাঁর গোলামি করে তাঁর প্রসংশা করি তাকে ভালোবাসি। 


৬৮. 

মৃত্যুর পর মানুষের জন্ম হয়।


৬৯.

তুমি পবিত্র হইলে আমি পবিত্র হই 

তুমি অপবিত্র রইলে আমি মানুষ নই।


৭০.

যার দেহ পুড়েছে গুরুর প্রেমে 

যমে তারে শ্রদ্ধা করে। 


৭১.

আসা যাওয়ার যন্ত্রণা না দিয়ে 

তোমার এশক মহব্বতে পাগল বানিয়ে 

মৃত্যুর আগে মৃত্যু দাও। 


৭২.

সুন্দর চরিত্র হচ্ছে আল্লাময় জগতে যাওয়ার প্রবেশপত্র,

এবং আদব বিশ্বাস সাহস ও মহব্বত হচ্ছে আল্লাময় জগতে থাকার পরিচয়পত্র। 


৭৩.

বেহেশত পাবার জন্য দুনিয়ায় এসেছেন? 

সকল কিছু মানুষের জন্য সৃষ্টি 

আর আপনি সেই সৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন! স্রষ্টার জন্য নয়

বেহেশতও বলে স্রষ্টা আমি আপনাকেই চাই। 


৭৪.

রাত যত গভীর হয়

সৃষ্টির প্রতি স্রষ্টার তত দয়া হয়। 


৭৫.

বিশ্ব স্রষ্টা সৃষ্টিকে কখনো কষ্টে রাখে না

সৃষ্টি তার নিজের ভুলের কারণে কষ্টে থাকে। 

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মন সত্য তাইতো বলি

তিক্ত জীবন জগৎ সত্য
মন সত্য তাইতো বলি
ভেঙ্গে মানুষেরই মন
যতই শোনাও মহান বুলি
তিক্ত জীবন জগৎ সত্য
মন সত্য তাইতো বলি।

যতই করো তার সাধন
পাবে না সেই রতন
ভেঙ্গে মানুষেরই মন
করিলে তার আয়োজন
তিক্ত জীবন জগৎ সত্য
মন সত্য তাইতো বলি।

ভালোবাসায় ভালোবাসা
ঘৃণায় ঘৃণিত হৃদয় ঠাসা
সত্যের নাই আশা
মিথ্যের ছড়াছড়ি
তিক্ত জীবন জগৎ সত্য
মন সত্য তাইতো বলি।

অধম তোমার কর্মে
আছে কি সে সেই ধর্মে
যার জন্যে এই জনম
মানব সেবায় ছবি
তিক্ত জীবন জগৎ সত্য
মন সত্য তাইতো বলি।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সত্য ছিল প্রেমের কাব্য

 মারিয়া নীতি বাক্য 

দেখাইলা বন্ধু কি নৃত্য 

দেখিয়া তোমার নৃত্য 

এখন বন্ধু জগত হাসে! 


আমি নাহয় পথের ভিখারি 

ভিখারি বলিয়া 

গেলা বন্ধু তুমি 

গেলা আমায় ছাড়িয়া। 


এখন কোথায় সে আদর্শ 

কোথায় তোমার সে শর্ত 

হয়েছ কি আমার চেয়েও 

তুমি বড় সত্য? 


দেখো বন্ধু জগত জুড়ে 

মিথ্যার মোহ ঘরে 

বন্দী হইয়া ভবিষ্যৎ কাঁদে 

তোমার হৃদয় পুড়ে! 


সত্য ছিল প্রেমের কাব্য 

সত্য ছিল ইব্রাহিম 

তাইতো অধম লিখে গেলো 

আলিফ মিম।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আজব এক পৃথিবী

 কে করে করুণা 

কে ভালোবাসে 

আজব এক পৃথিবী 

অন্যের দুঃখে হাসে! 

জানি না কোন ভুলে 

সাজা পায় এই মন 

মন ভাঙ্গে যারা 

তাদের বিচার হয় কখন? 

আদৌ কি তারা 

তোমার আদালতে আসে 

আজব এক পৃথিবী 

অন্যের দুঃখে হাসে!

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বার্থের কদর

 হায় ‘চারিদিকে মেকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।


দয়াল তুমি বিনে

আমি যে অসহায়

তুমি ছাড়া আমার

ত্রিভুবনে কেহ নাই,

তুমি ছাড়া আমার

সবকিছু ফাঁকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।


আপন মানুষ হয় পর

স্বার্থের কদর

উপকারের প্রতিদান

করে শুধু অপমান,

সে দুঃখ বুকে নিয়ে অধম হাসি

মরণ আসিতে আর কত বাকি

আমি পথ চেয়ে থাকি

মরণ আসিতে আর কত বাকি।

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

আপনার তা অজানা

 দূর থেকে দেখে গেছি বহু বছর, 

অথচ মন চেয়েছে সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করি আপনার কি খবর। 

আমার সে সাহস হয়নি আর, কারণ দূরে রাখার কৌশল জানা ছিল আপনার, 

আমি এক বোকা কৌশল ছিল না জানা 

তাই দূর থেকে দেখে গেছি বছরের পর বছর, আপনার তা অজানা। 

আমি যখন আপনার সামনে গিয়ে কথা বলতে চাইতাম, 

কথা বলতে গিয়েও আর কথা নাহি বলতাম, 

বুক ধুপ ধুপ করে কেঁপে উঠতো 

আমার হাত পা কেঁপে উঠতো, 

মনে হতো কি থেকে কি বলে কোন ভুল হয়, তখন যদি ভুল বুঝেন, 

ভেতর জুড়ে শুধু ভয় আর ভয়। 


 


 

ক্ষমা চেয়ে লও তবে

 কাঁদিলে চোখের জলে 

হয় কি মনের মানুষ মনা 

কমে যায় চোখের জ্যোতি 

মানুষ আর পাইবা না। 

থাকতে মানুষ মানুষকে 

আপন করতে হয় ভবে 

চলে গেলে হায় তবে 

আপন পর হয় মনা। 

হয়ত দুদিন আগে বা পরে 

দেখা হয় চলার পথে 

ক্ষমা চেয়ে লও তবে 

এই সুযোগ আর পাইবা না। 

অধমের নাই জ্ঞান বুদ্ধি 

জানি না কখন কি লিখি 

থাকতে তাই ক্ষমা চাচ্ছি 

ক্ষমা করবেন সকল জনা। 

তোর আপনও ঘরে

 মন তুই সুখী হতে গিয়ে 

সুখ খুঁজে তুই পেলি নারে 

তোর সুখের পাখি উড়ে গেছে 

তোরই চোখের সামনে দিয়ে। 

সেতো এসেছিল সেতো বলেছিল 

কিছু ভালোবাসা চেয়েছিল 

তুই দিলি না তারে দিলি না তারে 

ঠাঁই, তোর আপনও ঘরে। 

তাই অভিমানে সুখের পাখি 

বাসা বাঁধা অন্যের ঘরে। 

ওরে ও মন ওরে ও মন 

আর কেঁদে কি হবে সাধন 

এখন যেতে হবে যেতে হবে 

ফুরিয়ে এসেছে তোর জীবন। 

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

মায়াবী এক আয়না

 মানুষে কতকিছু চায় 

মানুষে কত কি পায় 

আবার পায় না পায় না 

এই মানুষে 

মায়াবী এক আয়না আয়না। 

এই মানুষে গড়ে 

আবার এই মানুষে ভাঙে 

হায়রে এই মানুষে মরে 

মায়াবী এক আয়না মানুষ 

নিজেরে দেখতে পায় না 

হায়রে মায়াবী এক আয়না। 

চোখে রঙিন চশমা 

হায়রে গায়ে রঙিন জামা 

মানুষ করে কত তালবাহানা 

এই মানুষে কি চায় কি পায় 

নিজেও বুঝে না 

মানুষ মায়াবী এক আয়না। 

মানুষ কি মানুষ হয়

 কবি, বড় কবি হওয়ার জন্য ছুটে।

শিল্পী, বড় শিল্পী হওয়ার জন্য ছুটে।

ডাক্তার, বড় ডাক্তার হওয়ার জন্য ছুটে।

নেতা, বড় নেতা হওয়ার জন্য ছুটে।

ইঞ্জিনিয়ার, বড় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য ছুটে।

যে যা, সে তার চেয়েও বড় হওয়ার জন্য ছুটে।

সবাই ছুটে 'যে যা হয় হতে পারে হতে চায় হয় বা হয় না,

কিন্তু ছুটতে থাকে।

ছুটে যে যা হবার তা-ই হওয়ার চেষ্টা করে।

আচ্ছা, মানুষ কি মানুষ হওয়ার জন্য ছুটে?

আচ্ছা, সব শেষে মানুষ কি হয়?

আমার মন বলল, সব শেষে মানুষ মাটির বন্ধু হয়!

এটাই কি সত্যি? তাহলে এতো ছুটাছুটি ক্যান!

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন

 আমার মায়ের মতো একটা প্রেমিকা হোক।

যার বুকে মাথা রাখলে আমার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে।

যে আমার মুখ দেখলেই বুঝবে কি চাই,

সে বলবে তুমি চিন্তিত হইও না, আমি তো আছি তোমার পাশে।

আমার মনখারাপের দিনে সে হবে ভালো করার ওষুধ,

দুঃখ পেলে জড়িয়ে ধরে দিবে সুখ,

আমার পছন্দের খাবার, পছন্দের পোশাক

আমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখবে হাতের কাছে,

যখন যা দরকার সে সাজিয়ে রাখবে চারপাশ ঘিরে।

আমার মা আমাকে যেমন ভালোবাসে, আমার খেয়াল রাখে

অসুখ হলে কপালে জলপট্টি, রাত জেগে পাহারা দেয়া

জিজ্ঞেস করে ‘তোমার কি খুব যন্ত্রণা হচ্ছে!

এমন একটা প্রেমিকা চাই-ই চাই।

যে আমার মায়ের মতো হবে কিন্তু মা নয় স্ত্রী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।


-২


আমার বাবার মতো একটা প্রেমিক হোক।

যার হাত ধরে আমি পাড়ি দিতে পারবো সাত সাগর তেরো নদী অনায়াসে।

যে হবে দায়িত্বশীল প্রেমিক,

ঠিক একজন বাবা যেমন তার মেয়ের খেয়াল রাখে।

যার কাছে আমি মন খুলে আমার মনের সকল কথা বলে দিতে পারবো,

যার কাছে আমি নিরাপদ, আমি চিন্তিত নই।

আমাদের মাঝে ঝগড়া হলে, আমি অভিমান করলে

সে আমার মান ভাঙাতে ঘুরতে নিয়ে যাবে পাহাড়ে বা সাগর পাড়ে,

হঠাৎ ফুল এনে হাতে দিয়ে বলবে স্যরি!

আমার বাবার মতো বলবে মেয়েদের অতো রাগতে নেই,

তাতে সুন্দর দেখায় না-গো, উজ্জ্বল হাসি প্যাঁচার মতো লাগে।

প্রিয় রং, প্রিয় ফুল, প্রিয় গান, প্রিয় কবিতা নিয়ে—

আড্ডা হবে আমাদের দুজনার মাঝে।

যে হবে ঠিক আমার বাবার মতো কিন্তু বাবা নয় স্বামী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।

নেই ঠিকানা নেই আপন

 আমি এক ভিখারি তোমার কাছে এসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমার এই জীবন তোমার ভালোবাসা বিহীন তুচ্ছ

তোমার ভালোবাসা আমার জীবন।

আমি সে রূপ লুকিয়ে রেখেছি হৃদয়ে

যে রূপ দেখো তুমি আয়নায় দাঁড়িয়ে।

তোমার রূপের ধ্যানে আমি বসেছি

তোমার ভালোবাসা পেতে

ভিক্ষা দাও ভালোবাসা ভিখারিকে।

আমি ভিখারি ‘নেই ঠিকানা নেই আপন

তুমিই সব আমার স্বজন। 

কে জাগালো

 মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো

খুঁজি তারে

সে কি মোরে বাসে ভালো

মোর মনে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

অতি নিকটে

তবু লুকিয়ে

আসে না মোর

ঘরে সে

ঝরে বারি

বিরহে পুড়ি

তার স্মরণে

মোর নয়নে আশার আলো

কে জাগালো।

লুটিয়ে পড়িবো তারই চরণে

শত জনমের ব্যথা ঘুচিবে

জাগিয়া থাকি

আসিবে সে কি

যে প্রেম সে

আমায় শিখালো

মোর নয়নে প্রেমের আলো

কে জাগালো।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

 মেয়েটি গল্প ভালো জানে

ছেলেটি গল্প শুনে মন দিয়ে মনে।

একদিন জিজ্ঞেস করে তাই

বলো তো গল্পে কি বুঝাই।

গল্প তো তেমন বুঝি না

বুঝি না আমি কবিতাও হায়

তুমি বলো শুনি।

ধ্যান দিয়ে শোন আমার হৃদয়ের ধ্বনি।

আজব মানুষ হায়

কি বললাম আর কি উত্তর ধরায়।

উত্তর আমি কিছুই জানি না

গল্পের একটি লাইন সেরা

যদি না তুমি এর অর্থ বুঝো হে

গল্পের কাহিনি মিথ্যে।

সেদিন হতে ছেলেটি গল্পের অর্থ খুঁজে

মেয়েটি আকাশে তার ছবি আঁকে।

এই ছিল গল্পের কাহিনি

কবিতার ছন্দে লিখে রাখলাম আমি।

আমার সব রং তুমি

 তোমার জন্য আমার বড্ড মায়া হয়,

তোমার কথা খুব মনে পড়ে,

আমার কথা কি তোমার মনে পড়ে?

তোমার জন্য আমার এতো মায়া হয় কেনো?

একটিবারও কি আমাকে তোমার মনে পড়ে না?

জানো, পাখির মায়া হয় গাছের জন্য,

জানো, আকাশের মায়া হয় রংধনুর জন্য,

জানো, মাটির মায়া হয় মৃত মানুষের জন্য,

আমার জন্য তোমার কোনো মায়া হয় না?

আমি তো ঐ গাছের মতোই অসহায়,

ঐ মৃত মানুষের মতোই,

তোমাকে ছাড়া রংধনু হতে পারিনা,

আমার সব রং তুমি, তুমিই অস্তিত্ব।

বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

দেওয়ানবাগী তোমায় আমি ভালোবাসি

 দরদী দরদী দরদী আমার 

দেওয়ানবাগী দরদী 

ভালোবাসি ভালোবাসি 

তোমায় আমি ভালোবাসি। 

জানি না কোন কর্ম গুণে 

আধার ঘরে আলো দিলে 

সে আলোতে আলোকিত 

হইল কতশত পাপী। 

সবুজ শ্যামল বাংলার বুকে 

এলে তুমি ইমাম হয়ে 

ধন্য হলো তোমায় পেয়ে 

কতশত পাপীতাপী। 

একদিন দেখি বন্ধ ঘরে 

অন্ধকারে আলো খেলা করে 

সে খেলাতে দেখিয়াছি 

মুর্শিদ তোমার নূরের ছবি। 

জসিম খান কয় ভাই নূর ইসলাম 

দেওয়ানবাগী শ্রেষ্ঠ মহান 

তাইতো কাঁদে মঞ্জুরে খোদা 

তাইতো কাঁদে ফজলে খোদা 

পাইতে দয়ালের নূরের চরণখান। 

এইযে বিচ্ছেদ বেদনা 

ইব্রাহিম সইতে পারি না 

এইযে বিচ্ছেদ বেদনা 

আশেক সইতে পারি না 

মিটাও মুর্শিদ মনের বাসনা 

দেখাও নয়নে তোমার নূরের ছবি। 

ভালোবাসি ভালোবাসি 

দেওয়ানবাগী তোমায় আমি ভালোবাসি।

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সে কত ভাগ্যবান

 আকাশে জমেছে মেঘ 

বৃষ্টি হবে বলে 

সে কত ভাগ্যবান 

ভিজেছে তোমার জলে, 

আমি হয়তো পথের ধূলো 

পথে ঘাটে উড়ে 

এখানে সেখানে থেকেছি পড়ে 

কেউ নেয়নি তুলে। 


ঝরেছে পাতা 

কেঁদেছে লতা 

বিচ্ছেদ বেদনাতে 

তাই বলে কি ফুলের হাসি 

গিয়েছে মালী ভুলে, 

মালী তো জানে না 

ফুলের বেদনা 

ফুলের কান্নাকাটি 

সাদাসিধা জীবন আমার 

হেঁসে ভালো থাকি। 

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন

 আমার মায়ের মতো একটা প্রেমিকা হোক।

যার বুকে মাথা রাখলে আমার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে।

যে আমার মুখ দেখলেই বুঝবে কি চাই,

সে বলবে তুমি চিন্তিত হইও না, আমি তো আছি তোমার পাশে।

আমার মনখারাপের দিনে সে হবে ভালো করার ওষুধ,

দুঃখ পেলে জড়িয়ে ধরে দিবে সুখ,

আমার পছন্দের খাবার, পছন্দের পোশাক

আমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখবে হাতের কাছে,

যখন যা দরকার সে সাজিয়ে রাখবে চারপাশ ঘিরে।

আমার মা আমাকে যেমন ভালোবাসে, আমার খেয়াল রাখে

অসুখ হলে কপালে জলপট্টি, রাত জেগে পাহারা দেয়া

জিজ্ঞেস করে ‘তোমার কি খুব যন্ত্রণা হচ্ছে!

এমন একটা প্রেমিকা চাই-ই চাই।

যে আমার মায়ের মতো হবে কিন্তু মা নয় স্ত্রী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।


-২


আমার বাবার মতো একটা প্রেমিক হোক।

যার হাত ধরে আমি পাড়ি দিতে পারবো সাত সাগর তেরো নদী অনায়াসে।

যে হবে দায়িত্বশীল প্রেমিক,

ঠিক একজন বাবা যেমন তার মেয়ের খেয়াল রাখে।

যার কাছে আমি মন খুলে আমার মনের সকল কথা বলে দিতে পারবো,

যার কাছে আমি নিরাপদ, আমি চিন্তিত নই।

আমাদের মাঝে ঝগড়া হলে, আমি অভিমান করলে

সে আমার মান ভাঙাতে ঘুরতে নিয়ে যাবে পাহাড়ে বা সাগর পাড়ে,

হঠাৎ ফুল এনে হাতে দিয়ে বলবে স্যরি!

আমার বাবার মতো বলবে মেয়েদের অতো রাগতে নেই,

তাতে সুন্দর দেখায় না-গো, উজ্জ্বল হাসি প্যাঁচার মতো লাগে।

প্রিয় রং, প্রিয় ফুল, প্রিয় গান, প্রিয় কবিতা নিয়ে—

আড্ডা হবে আমাদের দুজনার মাঝে।

যে হবে ঠিক আমার বাবার মতো কিন্তু বাবা নয় স্বামী সে,

যার সাথে আমি বাঁধবো জন্মান্তরের বন্ধন।

কথাগুলো অধমের

 ১.  তুমি মানুষ হও।  আমি তো মানুষের ঘরে জন্ম নিয়েছি,  আবার মানুষ হতে হবে কেনো?  বাঘের ঘর থেকে বাঘের বাচ্চা জন্ম নেয়  বিড়ালের ঘর থেকে বিড়ালের...