সুখের দেশের মাইয়া রে তুই
গাইস না আর দুঃখের গান
তোর গান শুনিয়া কাঁন্দে
আমার প্রাণ।
সুখের দেশে থাকিয়া গো
কত দুঃখ পাও গো
তবু মানুষ দেখো গো
সুখের করে সন্ধান
তোর গান শুনিয়া কাঁন্দে
আমার প্রাণ।
সুখের দেশের মাইয়া রে তুই
গাইস না আর দুঃখের গান
তোর গান শুনিয়া কাঁন্দে
আমার প্রাণ।
সুখের দেশে থাকিয়া গো
কত দুঃখ পাও গো
তবু মানুষ দেখো গো
সুখের করে সন্ধান
তোর গান শুনিয়া কাঁন্দে
আমার প্রাণ।
অধম রবীন্দ্রনাথ বলছে “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে” তবে একলা চলতে হয়।
অধম রবীন্দ্রনাথ বলছে “যদি কেউ কথা না কয়” তবে কাব্য লিখতে হয়।
অধম রবীন্দ্রনাথ বলছে “যদি সবাই থাকে মুখ ফিরায়ে” তবে নিজেকে ভালোবাসতে হয়।
খোদা প্রেম দিছে
তাই চোখ পুড়ে গেছে,
বুক ডুবে গেছে
তার এশকে মরে গেছে
এখন আর কি করার আছে?
জীবন বাঁচবে না আর
কাফনের কাপড় পরেছি
আঁতরগোলাপে সেজেছি!
আমার কাফনের কাপড়
আর তোমার বিয়ের ইদ,
আমার জানাজার সময়
তোমার বাড়িতে বিয়ের গীত।
তুমি সাজবে বেনারশী শাড়ীতে
আর আমি সাদা পোশাকে,
তবে সেদিন দুইজনেই সাজবো
দুই পথে দুইজনে হাঁটবো।
তুমি সুখী হও
মেহেদী রঙের মতো,
সুখে আনন্দে বাঁচো
বেনারশী শাড়ীতে নাচো।
জীবন বড়ই অদ্ভুত
তোমারই হোক সুখ,
খোদা আমারে দাও দুখ
সে ভালো থাকুক।
আত্মাটারে মানুষ বানাই
মানুষ হও মাটির অধম
মানুষ ছাড়া মুক্তি নাই
এই মানব জনম।
মানুষ আকৃতি থাকলে পরে
মানুষ বলে কয় না তারে
ষড়রিপু গুলিরে মানুষ করে
সাধক হয় মানুষ ভবে।
কুকুরের ঘরে কুকুর জন্মায়
বিড়ালের ঘরে বিড়াল জন্মায়
মানুষের ঘরে মানুষ নাহি হায়
তাই মানুষ হতে হয় ধরায়।
গরু ছাগলেরে গরু ছাগল ডাকে
মানুষেরে মানুষ নাহি ডাকে
মানুষের ভিন্ন ভিন্ন নাম থাকে
আত্মার সুরতে মানুষ হওয়া লাগে।
জাহের বাতেন লও শিখিয়া
আপন ঘরে রূপের ডুব দিয়া
অদেখারে লও দেখিয়া
তুমি দেখিতে কেমন।
প্রেমও শক্তি মহা মুক্তি
দয়ালের প্রতি রাখো ভক্তি
বিশ্বাসে দেখিবে ছবি
নূরের আরশ তখন।
জগত জুড়ে বহু মানুষ
অন্ধকারে হইয়া বেহুশ
খুঁজে না নিজের দোষ
করছে শুধু মিছে আয়োজন।
আত্মাটারে মানুষ বানাই
মানুষ হও মাটির অধম
মানুষ ছাড়া মুক্তি নাই
এই মানব জনম।
হে প্রেম, তোমার খোদার দোহাই
আমাকে আর ডেকো না,
হৃদয় ভেঙে গেছে
হৃদয় মরে গেছে!
তোমার কাছে যাওয়ার মতো
শক্তি আজ নেই হৃদয়ের,
হৃদয় আজ ক্লান্ত।
কেউ কখনো হৃদয়
নিতে আসেনি, এসেছিলো ভাঙতে!
হে প্রেম, তোমার খোদার দোহাই দিচ্ছি
আমাকে আর ডেকো না,
হৃদয় ভেঙে গেছে
হৃদয় মরে গেছে!
কেউ হাতে হাত রেখেছিলো
এরপর বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে,
কেউ চোখে চোখ রেখেছিলো
এরপর অন্ধ করে দিয়েছে,
কেউ হেঁটেছিলো
এরপর পঙ্গু করে দিয়েছে,
হে প্রেম, তোমার খোদার দোহাই
আমাকে আর ডেকো না,
আমি মরে গেছি
মৃত মানুষকে কতবার মারবে?
হে প্রেম, তোমার খোদার দোহাই দিচ্ছি
আমাকে আর ডেকো না,
আমাকে কেউ চায়নি
যখন সবার কেউ একজন পেয়েছে
আমাকে ভুলে গেছে,
আমি কাকে আর দুনিয়া বানাবো
যাকে হৃদয় দিয়েছি
সে আমাকে দুনিয়াতে বাঁচতে দিলো না,
হে প্রেম, তোমার খোদার দোহাই
আমাকে আর ডেকো না,
তুমি তাকেই বলো
তুমি তাকেই ডাকো
তুমি তার কাছে ফিরে যাও
যারা মানুষ ঠকায়, যে মানুষকে ভাঙে
মৃত মানুষকে কতবার মারবে?
এইযে আমি কবিতার কথা বলি,
কবিতা তো এমন—
শীতের রাতে ফুটপাতে
ঘুমিয়ে থাকা মানুষগুলি।
কবিতা তো এমন—
রাত করে ঘরে ফেরা
কোনো এক নারীর জীবন,
জীবিকার তাগিদে পুরুষ
রাত প্রহরী।
এইযে আমি কবিতার কথা বলি,
কবিতা তো হরেকরকম—
যেমন ‘বেদনার কাব্য,
প্রেমের ছবি,
যুবতী নারীর রংঢং
চোখের কাজল
অপলক চাহনি।
কবিতার কথাই বলি,
জগন্নাথের মোড় থেকে
মোটরবাইকে চড়ে
শেওড়াপাড়া আসতে আসতে—
রাতের শহরের কতশত দৃশ্য
দুই নয়নে আঁকে কবি।
কবিতা তো এমন—
যেমন ‘শীতের রাতে
করছে কেউ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ,
কবিতা তো এমন—
শীতের রাতে নিরাপত্তা দিচ্ছে প্রশাসন।
কবিতা মানেই দুঃখ
কবিতা মানেই যন্ত্রণা
কবিতা মানেই সুখ, শান্তি
কবিতা মানেই পাওয়া না পাওয়া
কবিতা মানেই হাহাকার
কবিতা মানেই চিৎকার,
কবিতা মানেই
সন্তানের মুখে মায়ের ডাক—
মা, মা।
কবিতা মানেই যার জন্ম আছে
মৃত্যু নেই
শেষ নেই
আছে শুধু দাঁড়িকমা।
কবিতা মানেই
আমৃত্যু জন্ম স্বাদ,
কবিতা মানেই এমন—
না থামা,
কবিতা মানেই
জীবনযুদ্ধে বীর আমার পিতা।
এজন্যই কবিতার কথা বলি,
দুই নয়নে শব্দের ছবি আঁকি
প্রেমের ছবি আঁকি
কবিতাকে ভালোবাসি।
কবিতা হচ্ছে মেঘের মতোন
কবিতা হচ্ছে নিজের মতোন
কেউ নই কবিতার মতোন,
সবশেষে কবিতা থাকে
কবি থাকে না।
সুখের দেশের মাইয়া রে তুই গাইস না আর দুঃখের গান তোর গান শুনিয়া কাঁন্দে আমার প্রাণ। সুখের দেশে থাকিয়া গো কত দুঃখ পাও গো তবু মানুষ দেখো গো সুখ...